জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারাবিশ্বে দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। তিনি এসএমই শিল্পের উন্নয়নেও নিরলস কাজ করছেন। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাই সবাইকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের রফতানি সক্ষমতা বৃদ্ধিতে উদ্যোগী হতে হবে।
শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘ইমপ্রুভিং এক্সপোর্ট ক্যাপাবিলিটিস অব এসএমই’স: সাকসিডিং গ্লোবালি আপ-অন এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।
স্পিকার বলেন, ডিসিসিআই বাংলাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং শিল্পায়নের সুবিধার্থে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ডিসিসিআই’র উদ্যোগে এসএমই’র সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক সেমিনার খুবই সময়োপযোগী। এ সেমিনারের মাধ্যমে এসএমই সেক্টরের আরো অনেক সম্ভাবনা বের হবে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের জিডিপিতে এমএমই সেক্টরের অবদান প্রায় ৩০ ভাগ, যা প্রশংসনীয়। এ সেক্টরের রফতানি সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সঠিক ও কার্যকর নীতি গ্রহণের পাশাপাশি অর্থায়ন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নেও ব্যবস্থা নিতে হবে। এসএমই সেক্টরের সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা নিরসনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার পথ সুগম করতে হবে।
এ সময় ডিসিসিআই’র সফলতা কামনা করেন এবং প্রতিষ্ঠানটি দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে গতিশীলতা আনবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাই কমিশনার লিলি নিকলস, সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ইসা ইউসুফ আলদুহাইলান, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান মো. ফাইজুল ইসলাম, ডিসিসিআই সভাপতি ব্যারিস্টার মো. সমীর সাত্তার, সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হান, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. কবির আহমেদ, এক্সপোর্ট প্রোমোশন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান প্রমুখ।